খাবার হজম হওয়ার পর যে বর্জ্য তৈরি হয়, তা ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে বৃহদান্ত্রে পৌঁছায়।
খাবার হজম হওয়ার পর যে বর্জ্য তৈরি হয়, তা ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে বৃহদান্ত্রে পৌঁছায়। এরপর তা রেকটামে জমা হয় এবং চাপ তৈরি হলে তা শরীরে থেকে বেরিয়ে যায়। তাতে আপনার দূষিত পদার্থ মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে পড়ে। তাই পেট ঠিকমতো সাফ না হলেই আপনার শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই ‘গাট ট্রানজিট টাইম’ প্রক্রিয়াটি কত ধীর বা দ্রুতগতিতে হচ্ছে, তার ওপর আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য নির্ভর করে— আপনি কতটা সুস্থ কিংবা অসুস্থ।কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তখনই দেখা দেয়, যখন আপনার পর্যাপ্ত পানি ও ফাইবারজাতীয় খাবার খাওয়া না হয়। আর তাতেই হজম স্বাস্থ্য অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।গবেষণা বলছে, কোলনে কতক্ষণ মল জমে থাকছে, তা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। মল কতটা ধীরে বা দ্রুতগতিতে চলাচল করছে, তার ওপর নির্ভর করে অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের গঠন বদলে যায়। এর জেরে যেমন মেটাবলিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হয়, ঠিক তেমনই শরীরে প্রদাহ বাড়তে থাকে। আবার অনেক সময়ে স্নায়বিক রোগও দেখা দেয়।
মল যত বেশি শক্ত হয়, গাট ট্রানজিট টাইমে তত বেশি সময় লাগেএ প্রক্রিয়া যত ধীর গতিতে হবে কিংবা বর্জ্য পদার্থ যত বেশি সময় ধরে কোলনে থাকবে, অন্ত্রে তত বেশি অ্যামোনিয়া ও ফেনলের মতো ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হবে।
আর এই সমগ্র প্রক্রিয়াটি অন্ত্রের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। আর এটাই হলো— কোষ্ঠকাঠিন্য। মল শক্ত হওয়ায় গাট ট্রানজিট টাইমে সময় লাগে এবং শরীর থেকে বর্জ্য বেরোতে পারে না। সাধারণত ২৪–৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত মল শরীরে থাকতে পারে। এর বেশি সময় থাককোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। আবার এর চেয়ে কম সময়ে মল শরীর থেকে বেরিয়ে গেলে কিংবা গাট ট্রানজিট টাইম দ্রুতগতিতে হলে ডায়ারিয়া হয়ে যায়।
আর মল দ্রুত শরীর থেকে বেরিয়ে গেলে তখন শরীর খাবার থেকে ঠিকমতো পুষ্টি শোষণ করতে পারে না। শরীরে ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি হয়। ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়।লে।

-69eb2b1ecaad2.jpg)