জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর আতিকুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার অ্যালবিনো জাতের মহিষটি ২৫ কেজি নেপিয়ার জাতের ঘাস ও ৫ কেজি ছোলা-ভুসি খেয়েছে। পানি খেয়েছে আধা মণ। আজও (শুক্রবার) প্রাণীটিকে একই ধরনের, একই পরিমাণে খাবার দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বেশি খাবার দেওয়া হবে।
গত বুধবার রাতে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষটিকে মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় নেওয়া হয়। তার পর থেকে মহিষটির দেখভাল করছে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, মহিষটিকে সকাল ৯টার দিকে ছোলা-ভুসিজাতীয় খাবার দেওয়া হয়। এরপর বেলা ১১টার দিকে দেওয়া হয় ঘাস। বেলা ২টার পর আবার ঘাস খেতে দেওয়া হয়। ৩টার দিকে ছোলা-ভুসি খায় প্রাণীটি। এরপর আর প্রাণীটিকে ভারী খাবার খেতে দেওয়া হয় না।
মহিষটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানার ‘এল-০৭’ খাঁচায় রাখা হয়েছে। খাঁচার সামনে এ মহিষের একটি পরিচয় ঝুলিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তাতে লেখা রয়েছে, ‘সাদা মহিষ (ডোনাল্ড ট্রাম্প)’। সেখানে ইংরেজি হরফে ‘অ্যালবিনো বাফেলো’ লেখা রয়েশুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহিষটিকে যেখানে বেঁধে রাখা হয়েছে, সেই অংশটি পাকা করা। ওপরে টিনের ছাউনি। কিছুটা দূরে একটি গাছ রয়েছে। তবে সেই গাছের ছায়া মহিষকে রাখার ঘরের ওপর পড়ে না।
তপ্ত দুপুরে মহিষটিকে গোসল করিয়ে দিচ্ছিলেন চিড়িয়াখানার একজন কর্মী। পাইপ দিয়ে মহিষের গায়ে পানি ছিটিয়ে গোসল করানো হচ্ছিল।
কিউরেটর আতিকুর রহমান বলেন, যাতে গরম না লাগে সে কারণে তাঁরা দিনে দুই থেকে তিনবার মহিষটিকে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন। মহিষটির জন্য একটি স্ট্যান্ডফ্যানের ব্যবস্থা করা হবে।ছে।

